চান গভীর ঘুম ? নজর দিন ৫ বিষয়ে

amitumi_sleep

১. প্রযুক্তিকে ‘না’ বলুন

সব ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বন্ধ করে রাখুন। বর্তমানে কোনো বিশেষ কাজ ছাড়াই আমাদের রাত জাগার অন্যতম কারণ যত গ্যাজেট। এগুলো চব্বিশ ঘণ্টা আমাদের ব্যস্ত রাখতে পারে। বিছানায় ওঠার পর স্মার্টফোন, ল্যাপটপ বা টেলিভিশন বন্ধ করে দিন। ঘুম কম হলে পরদিন কাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

২. নির্দিষ্ট সময়ে বিছানায় যান

সবারই ঘুমের একটি নির্দিষ্ট সময় রয়েছে। আপনি রাতের যে সময়টায় ঘুমাতে যেতে অভ্যস্ত, সেই সময় মেনে চলুন। একটু আগে আগে ঘুমাতে যাওয়াই ভালো। সেই সঙ্গে সকালে একই সময়ে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করুন। যদি গভীর রাতে বিছানায় যাওয়ার অভ্যাস থাকে, তবে নতুন করে আগে বিছানায় যাওয়ার সময় বেঁধে নিন। নতুন সময়ে একটু সমস্যা তো হবেই। খুব দ্রুতই অভ্যস্ত হয়ে পড়বেন।

৩. ঘুমবান্ধব শয়নকক্ষ

আসলে আরামদায়ক পরিবেশ ছাড়া ঘুম হয় না। ঘরটাকে এমনভাবে সাজিয়ে নিন যেন তা কেবল ঘুমের কাজেই ব্যবহৃত হয়। পরিবেশটা শীতল রাখুন। চোখে অস্বস্তি সৃষ্টি করে এমন আলো ব্যবহার করবেন না। আলো-আঁধারি বেশ কাজে দিতে পারে। জানালায় গাঢ় রঙের পর্দা ব্যবহার করুন।

৪. আরামের বিছানা-বালিশ

গা এলিয়ে দেওয়ার পর আরাম বোধ না করলে ঘুম হবে না। এর জন্য স্বস্তিকর বিছানা, চাদর, বালিশ ইত্যাদি কিনতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, একটি বাগানে প্রবেশ করার পর যেমন মনে শান্তি চলে আসে, তেমনি আরাম অনুভূত হবে বিছানায় শোয়ার পর।

৫. ব্যায়াম এড়াবেন না

যদি নিয়মিত ব্যায়ামের অভ্যাস থাকে, তবে তা এড়ানোর চেষ্টা করবেন না। শরীরচর্চা শক্তি ক্ষয় করে। কাজেই ক্লান্তি ভর করে। আর ক্লান্ত দেহে ঘুম অনেক গভীর হয়। ঘুমাতে যাওয়ার তিন-চার ঘণ্টা আগে ব্যায়াম শেষ করতে পারেন।

facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail